Wednesday, October 21, 2015

গড়ের মা

                                   শ্যামা রুপা মন্দির
                       
মিডিয়া র যুগে মানুষ যখন পৌঁছে গেছে বিজ্ঞান এর যুগে চরম শীর্ষে শহ্র আর শহ্র তলীর বারোয়ারী পুজা প্যান্ডেল আর লাইট এর আরম্বার প্রিয়তা কোটি কোটি টাকার বাজেট ধরা হই , প্রতিদিন খব্রের কাগজে বা দূরদর্শনে র পর্দা তে ওই সমস্ত প্যান্ডেলে কবে ক্ত লোক ঠাকুর দেখল তারই হিসাব দিতে নাভিশ্বাস ওঠে । ঠিক তখনই শহ্র দুরগাপুর থেকে ১৫ কি মি দূরে এক গহন গভীর জঙ্গলে মাঝে ১০০০ বছ্রের পুরানো একদেবি মূর্তি র পুজা হই ,মহাস্ম্রাহে সেখান থেকে ঢাকের শব্দ জঙ্গলের নীরবতা কে ভঙ্গ ক্রে ছড়িয়ে পড়তে পারে না । তার ধ্যান গম্ভীর সন্ধিক্ষণ নিয়ে প্রকৃতি নিজস্ব বলয়ে চারদিন চলে শ্যামারুপা   আরাধ্না । গড়ের জঙ্গলের বিশেস্ত্বা হ্ল অলৌকিক তপধবনি । অষ্টমী ও নবমীর মহা সন্ধিক্ষণে সমগ্র অঞ্চল জুড়ে একটি অজানা শব্দ আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে ছুটে আসে মহা জঙ্গল ভেদ ক্রে । তারই প্রতীক্ষিত শব্দে পাশাপাশি গ্রাম গুলিতে মহাব্লির বাজনা বেজে ওঠে । যা চলে আসছে যুগযুগ ধ্রে । কবে, কোথায়, এর উৎপত্তি , কি তার উৎস ,কি তার বিজ্ঞানের সত্যতা সবই তিমিরে ,সে যাই হোক না কেন যোগাযোগ বিহীন এই গহন বনে লক্ষ লক্ষ মানুষ ছুটে আসে অনুস্নধিসু ম্ন নিয়ে । প্রতিদিন মহাপ্রসাদের ব্যবস্থা থাকে এখানে ।তবে মহানবমী তে মহাপ্সাদ লাভের জন্যে লক্ষ লোকের স্মাগ্ম ঐতিহাসিক নিদর্শন যা শহ্রে সার্বজনীন পুজা কে ম্লান ক্রে দেই । আর এসবের পিছনে আছে এক ঐতিহাসিক সত্যতা । ইতিহাস থেমে নাই - শক থেকে কুশান,পাল সেন রাজা থেকে ব্ধমান রাজাদের কীর্তি ও কাহিনি ও ধ্নগসাবশের বুকে নিয়ে তবু এই মূর্তি আজও বিরাজমান । কালের অন্তরালে হারিয়ে গেছে প্রভাবশালী সেই সব রাজাদের কীর্তি  কাহিনী । তবু শ্যামা রুপা আজও গড়ের নিত্য পুজিতা হ্ন ।
যুগল কিশোর ঝাঁ 

No comments:

Post a Comment