Friday, October 30, 2015
Wednesday, October 21, 2015
গড়ের মা
শ্যামা রুপা মন্দির
মিডিয়া র যুগে মানুষ যখন পৌঁছে গেছে বিজ্ঞান এর যুগে চরম শীর্ষে শহ্র আর শহ্র তলীর বারোয়ারী পুজা প্যান্ডেল আর লাইট এর আরম্বার প্রিয়তা কোটি কোটি টাকার বাজেট ধরা হই , প্রতিদিন খব্রের কাগজে বা দূরদর্শনে র পর্দা তে ওই সমস্ত প্যান্ডেলে কবে ক্ত লোক ঠাকুর দেখল তারই হিসাব দিতে নাভিশ্বাস ওঠে । ঠিক তখনই শহ্র দুরগাপুর থেকে ১৫ কি মি দূরে এক গহন গভীর জঙ্গলে মাঝে ১০০০ বছ্রের পুরানো একদেবি মূর্তি র পুজা হই ,মহাস্ম্রাহে সেখান থেকে ঢাকের শব্দ জঙ্গলের নীরবতা কে ভঙ্গ ক্রে ছড়িয়ে পড়তে পারে না । তার ধ্যান গম্ভীর সন্ধিক্ষণ নিয়ে প্রকৃতি নিজস্ব বলয়ে চারদিন চলে শ্যামারুপা আরাধ্না । গড়ের জঙ্গলের বিশেস্ত্বা হ্ল অলৌকিক তপধবনি । অষ্টমী ও নবমীর মহা সন্ধিক্ষণে সমগ্র অঞ্চল জুড়ে একটি অজানা শব্দ আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে ছুটে আসে মহা জঙ্গল ভেদ ক্রে । তারই প্রতীক্ষিত শব্দে পাশাপাশি গ্রাম গুলিতে মহাব্লির বাজনা বেজে ওঠে । যা চলে আসছে যুগযুগ ধ্রে । কবে, কোথায়, এর উৎপত্তি , কি তার উৎস ,কি তার বিজ্ঞানের সত্যতা সবই তিমিরে ,সে যাই হোক না কেন যোগাযোগ বিহীন এই গহন বনে লক্ষ লক্ষ মানুষ ছুটে আসে অনুস্নধিসু ম্ন নিয়ে । প্রতিদিন মহাপ্রসাদের ব্যবস্থা থাকে এখানে ।তবে মহানবমী তে মহাপ্সাদ লাভের জন্যে লক্ষ লোকের স্মাগ্ম ঐতিহাসিক নিদর্শন যা শহ্রে সার্বজনীন পুজা কে ম্লান ক্রে দেই । আর এসবের পিছনে আছে এক ঐতিহাসিক সত্যতা । ইতিহাস থেমে নাই - শক থেকে কুশান,পাল সেন রাজা থেকে ব্ধমান রাজাদের কীর্তি ও কাহিনি ও ধ্নগসাবশের বুকে নিয়ে তবু এই মূর্তি আজও বিরাজমান । কালের অন্তরালে হারিয়ে গেছে প্রভাবশালী সেই সব রাজাদের কীর্তি কাহিনী । তবু শ্যামা রুপা আজও গড়ের নিত্য পুজিতা হ্ন ।
যুগল কিশোর ঝাঁ
মিডিয়া র যুগে মানুষ যখন পৌঁছে গেছে বিজ্ঞান এর যুগে চরম শীর্ষে শহ্র আর শহ্র তলীর বারোয়ারী পুজা প্যান্ডেল আর লাইট এর আরম্বার প্রিয়তা কোটি কোটি টাকার বাজেট ধরা হই , প্রতিদিন খব্রের কাগজে বা দূরদর্শনে র পর্দা তে ওই সমস্ত প্যান্ডেলে কবে ক্ত লোক ঠাকুর দেখল তারই হিসাব দিতে নাভিশ্বাস ওঠে । ঠিক তখনই শহ্র দুরগাপুর থেকে ১৫ কি মি দূরে এক গহন গভীর জঙ্গলে মাঝে ১০০০ বছ্রের পুরানো একদেবি মূর্তি র পুজা হই ,মহাস্ম্রাহে সেখান থেকে ঢাকের শব্দ জঙ্গলের নীরবতা কে ভঙ্গ ক্রে ছড়িয়ে পড়তে পারে না । তার ধ্যান গম্ভীর সন্ধিক্ষণ নিয়ে প্রকৃতি নিজস্ব বলয়ে চারদিন চলে শ্যামারুপা আরাধ্না । গড়ের জঙ্গলের বিশেস্ত্বা হ্ল অলৌকিক তপধবনি । অষ্টমী ও নবমীর মহা সন্ধিক্ষণে সমগ্র অঞ্চল জুড়ে একটি অজানা শব্দ আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে ছুটে আসে মহা জঙ্গল ভেদ ক্রে । তারই প্রতীক্ষিত শব্দে পাশাপাশি গ্রাম গুলিতে মহাব্লির বাজনা বেজে ওঠে । যা চলে আসছে যুগযুগ ধ্রে । কবে, কোথায়, এর উৎপত্তি , কি তার উৎস ,কি তার বিজ্ঞানের সত্যতা সবই তিমিরে ,সে যাই হোক না কেন যোগাযোগ বিহীন এই গহন বনে লক্ষ লক্ষ মানুষ ছুটে আসে অনুস্নধিসু ম্ন নিয়ে । প্রতিদিন মহাপ্রসাদের ব্যবস্থা থাকে এখানে ।তবে মহানবমী তে মহাপ্সাদ লাভের জন্যে লক্ষ লোকের স্মাগ্ম ঐতিহাসিক নিদর্শন যা শহ্রে সার্বজনীন পুজা কে ম্লান ক্রে দেই । আর এসবের পিছনে আছে এক ঐতিহাসিক সত্যতা । ইতিহাস থেমে নাই - শক থেকে কুশান,পাল সেন রাজা থেকে ব্ধমান রাজাদের কীর্তি ও কাহিনি ও ধ্নগসাবশের বুকে নিয়ে তবু এই মূর্তি আজও বিরাজমান । কালের অন্তরালে হারিয়ে গেছে প্রভাবশালী সেই সব রাজাদের কীর্তি কাহিনী । তবু শ্যামা রুপা আজও গড়ের নিত্য পুজিতা হ্ন ।
যুগল কিশোর ঝাঁ
Tuesday, October 20, 2015
দুরগাপুর প্রকল্প নগরী
৭২ সাল মালদা থেকে দুরগাপুরে এলাম, দুরগাপুর আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে । বামপন্থী রাজনীতি বিশ্বাস ক্রার ফ্লে দুরগাপুর আমার কাছে আদর্শ কারন দুরগাপুরের শ্রমিক নেতারা জনগণ তান্তিক বিপ্লব জন্য ৬০ এর দশকের লড়াই আমাদের প্রেরনা দিত । তাই দুরগাপুরে আসার স্বপ্ন আমার ছিল , আধা ফাস্যিবাদি সন্ত্রাস কারনে মালদা ছাড়তে বাধ্য হ্যেছিলাম । কিন্তু দুরগাপুরে এসে যুব, শ্রমিক , ও গ্ন আন্দলনে থাকার ফ্ল অনেক অভিগ্যতা সংগ্রহ ক্রেছি । অনেক ভাল বাসা পেয়েছি, আবার শত্রুতা সামনে ও আমাকে দাঁড়াতে হয়েছে । ছয়ের , সাতের ,আটের ,নয়ের দশকের বামপন্থী রাজনীতি ,তারপর জাতীয়তা বাদী রাজনীতি র কর্ম ভূমি ডি পি এল । অবসর গ্রহণের পর আমি তাকে খূব মিস করছি । এবার আমাকে সেখান অনেক দূরে ।
দুর্গাপূজা শুরু হয়েছ আজ এবার আমি নেই ডি, পি, এলে । আমি মণে করি কোন কারো জন্যে ইতিহাস থেমে থাকে না । আমার লড়াই আমার আলাদা পরিচিতি দেবে । কারণ আমি কিছু পাবার জন্যে রাজনীতি করিনি । কামিয়ে নিয়ে যারা রাজনীতি করেছিল তাঁদের পরিণতি তে আজ দুঃখ পাই এটা সঠিক । কিন্তু তার পরিবর্তে যারা এল । তারা আমাদের হতাশ করল । বাংলা ভাবীকাল অন্ধকার ময় । বিধান রায়ের স্বপ্ন আজ শেষ হতে চলেছে ।
আমরা রাজনীতির উপরে উঠে শিল্পের কথা ভাবি ,মাণব কল্যাণ করার কথা ভাবি । বেচে থাকার জন্যে কত অর্থের দরকার ?
এক্টূ ভাবি অর্থের জন্যে নয় পরমার্থ এর জন্যে ভাবি ।
দুর্গাপূজা শুরু হয়েছ আজ এবার আমি নেই ডি, পি, এলে । আমি মণে করি কোন কারো জন্যে ইতিহাস থেমে থাকে না । আমার লড়াই আমার আলাদা পরিচিতি দেবে । কারণ আমি কিছু পাবার জন্যে রাজনীতি করিনি । কামিয়ে নিয়ে যারা রাজনীতি করেছিল তাঁদের পরিণতি তে আজ দুঃখ পাই এটা সঠিক । কিন্তু তার পরিবর্তে যারা এল । তারা আমাদের হতাশ করল । বাংলা ভাবীকাল অন্ধকার ময় । বিধান রায়ের স্বপ্ন আজ শেষ হতে চলেছে ।
আমরা রাজনীতির উপরে উঠে শিল্পের কথা ভাবি ,মাণব কল্যাণ করার কথা ভাবি । বেচে থাকার জন্যে কত অর্থের দরকার ?
এক্টূ ভাবি অর্থের জন্যে নয় পরমার্থ এর জন্যে ভাবি ।
Subscribe to:
Comments (Atom)



